ফের গরমের ছুটি পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলিতে

 দীর্ঘদিন বৃষ্টির দেখা নেই। এরই মধ্যে গত ২ তারিখ থেকে খুলে গেছে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি স্কুল। কিন্তু তীব্র তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের অসুবিধার খবর আসছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। অনেক জায়গা থেকে ছাত্রছাত্রীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরও এসেছে। গতকাল শিক্ষা দপ্তর তাদের একটি নির্দেশে জানিয়েছিল, দুপুরের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের কোনরকম শারীরিক কাজকর্ম বা খেলাধুলা না করানোর জন্য। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে নিয়মিত জল পান করে সেদিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষকে।


এরই মধ্যে আজ কিছুক্ষণ আগে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু টুইট করে জানিয়েছেন, "কিছু জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ১৩.০৬.২৫ এবং ১৪.০৬.২৫ তারিখে রাজ্যের (পার্বত্য এলাকা ব্যতীত) সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিখন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও সংসদ কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।"



তবে এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ছুটির কথা বলা নেই, শুধুমাত্র ক্লাস সাসপেনশনের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে না এলেও শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীরা স্কুলে আসবেন। ‌


অন্য দিকে, এ বিষয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘এপ্রিল মাসের ৩০তারিখ থেকে যখন গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল, তখনই আমরা প্রশ্ন তুলেছিলাম, এত আগেভাগে কেন গরমের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। পুরো মে মাস জুড়েই যথেষ্ট ভাল আবহাওয়া ছিল। আর ঠিক যখন প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্র পরিস্থিতি, তখন স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে। তার চেয়ে এই খামখেয়ালিপনা বন্ধ করে পুরো বিষয়টা আগামী দিনে স্কুলের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হোক।’’


Comments

Popular posts from this blog

শিক্ষকরা কি আগামীকাল স্কুলে আসবেন? - কী বলছে হাইকোর্টের অর্ডার?

অনশনের ৪৫ ঘন্টা পরেও হেলদোল নেই সরকারের