Posts

এসএসসি ইস্যুতে ১৬ ই জুন বিধানসভা অভিযানের ডাক

Image
 সরকারি নির্দেশ মতো নতুন এসএসসি পরীক্ষার অনলাইন ফর্ম ফিলাপ শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ই জুন (সোমবার) থেকে। আর সেই দিনই বেলা বারোটার সময় বিধানসভা অভিযানের ডাক দিলেন এসএসসি ২০১৬ প্যানেলের যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মী, যোগ্য ওয়েটিং, নট-কলড-ফর ভেরিফিকেশন এবং অনশনরত শিক্ষক শিক্ষিকারা। বেলা বারোটার সময় সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে এই মিছিলে এগিয়ে যাবে বিধানসভার দিকে। ‌ মূলত পাঁচটি দাবিকে সামনে রেখে এই অভিযান -  ১) ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর OMR মিরর ইমেজ প্রকাশ। ২) OMR -এর ভিত্তিতে সকল যোগ্যদের নিখুঁত ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশ। ৩) SSC প্রকাশিত পরীক্ষার বেআইনি নিয়োগ নোটিশ ও গ্যাজেট প্রত্যাহার।  ৪) বিধানসভায় জরুরি অধিবেশন থেকে এই সমস্যার সমাধান। ৫) ২০১৬ প্যানেলের সকল যোগ্যদের চাকুরী পুনর্বহাল ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা।

অনশনের ৪৫ ঘন্টা পরেও হেলদোল নেই সরকারের

Image
চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনশনের প্রায় ৪৫ ঘন্টা পার হতে চলল কিন্তু এখনো হেলদোল নেই সরকারের। এই অনশনের প্রাথমিক দাবি ছিল রিভিউ এবং কিউরেটিভ পিটিশন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে না। এছাড়াও যোগ্য অযোগ্যের তালিকা, ওএমআর সিটের মিরর ইমেজ প্রকাশ এবং প্রকৃত যোগ্যদের চিহ্নিত করে রি-প্যানেল করারও দাবি জানান তাঁরা। অনশনকারীরা আজ পাশে পেয়েছেন 'We the people of India' এবং 'All India lawyers association' এর প্রতিনিধি দলকে। এই দুই প্রতিনিধি দল অনশনকারীদের যথাসম্ভব পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের মতে, তাঁরা যেহেতু কোন দুর্নীতি করে চাকরি পাননি, তাই দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। বরং দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় বসা মানে, সেই দুর্নীতিকে মেনে নেওয়া। তাছাড়া যেখানে এসএসসি নিজেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, সেখানে তাদের নেওয়া পরীক্ষায় যে আবার দুর্নীতি হবে না সেই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। আন্দোলনকারীদের মতে সরকারের সদিচ্ছা থাকলে রিভিউ বা কিউরেটিভ পিটিশানে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই এই দুটি পদ্ধতি শেষ না করে নতুন পরী...

আমরণ অনশনে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা

Image
  বৃহস্পতিবার রাত একটা থেকে আমরণ অনশনে বসলেন ১০ জন চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক - শিক্ষিকা। বারবার এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পরেও কোন সমাধান সূত্র না মেলায় অবশেষে এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক দাবি ছিল রিভিউ এবং কিউরেটিভ পিটিশন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে না। এছাড়াও যোগ্য অযোগ্যের তালিকা, ওএমআর সিটের মিরর ইমেজ প্রকাশ এবং প্রকৃত যোগ্যদের চিহ্নিত করে রি-প্যানেল করারও দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু রাজ্য সরকার নির্ধারিত সময়েই নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে চায়। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাফ বক্তব্য, "পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়া হবে।"   আগামী ১৬ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি নতুন নিয়োগের অনলাইন ফর্ম ফিলাপ। মূলত এই তারিখটি পেছানোর দাবি নিয়েই তাঁদের এই আন্দোলন। আজ তাঁদের ১৩ জনের একটি প্রতিনিধি দল এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে চেয়ারম্যান স্পষ্ট করে জানান, এই পরীক্ষায় সকলে বসতে পারবেন। এবং পরীক্ষায় পাস না করতে পারলে, তিনি যোগ্য শিক্ষক হলেও তাঁর চাকরি থাকবে না।‌  চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের নেতা চিন্ম...

শিক্ষকরা কি আগামীকাল স্কুলে আসবেন? - কী বলছে হাইকোর্টের অর্ডার?

Image
 যদি একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে, তাহলে শিক্ষকদের স্কুলে আসতে বাধ্য করা যাবে না। কলকাতা হাইকোর্টের একটি নির্দেশ রয়েছে যে, যদি কোনো কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকে, তাহলে শিক্ষকদের স্কুলে আসা বাধ্যতামূলক নয়। এই নির্দেশটি সাধারণত নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য: ১. অতিরিক্ত ছুটি: যদি কোনো সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়, অথবা কোনো বিশেষ কারণে স্কুল বন্ধ থাকে, তাহলে শিক্ষকদের স্কুলে আসতে বাধ্য করা যাবে না। ২. আর্ন্তজাতিক বা স্থানীয় পরিস্থিতি: যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বা অন্য কোনো কারণে স্কুল বন্ধ থাকে, তাহলে শিক্ষকদের স্কুলে আসতে বাধ্য করা যাবে না। ৩. শিক্ষকদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা: যদি কোনো শিক্ষক অসুস্থ থাকেন, অথবা কোনো কারণে কাজে আসতে না পারেন, তাহলে তাঁদের স্কুলে আসতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশটি শিক্ষকদের অধিকার রক্ষা করে এবং তাঁদের কাজের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করে। যদি কোনো শিক্ষক এই নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে না।

ফের গরমের ছুটি পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলিতে

Image
 দীর্ঘদিন বৃষ্টির দেখা নেই। এরই মধ্যে গত ২ তারিখ থেকে খুলে গেছে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি স্কুল। কিন্তু তীব্র তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের অসুবিধার খবর আসছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। অনেক জায়গা থেকে ছাত্রছাত্রীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরও এসেছে। গতকাল শিক্ষা দপ্তর তাদের একটি নির্দেশে জানিয়েছিল, দুপুরের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের কোনরকম শারীরিক কাজকর্ম বা খেলাধুলা না করানোর জন্য। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে নিয়মিত জল পান করে সেদিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষকে। এরই মধ্যে আজ কিছুক্ষণ আগে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু টুইট করে জানিয়েছেন, "কিছু জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ১৩.০৬.২৫ এবং ১৪.০৬.২৫ তারিখে রাজ্যের (পার্বত্য এলাকা ব্যতীত) সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিখন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও সংসদ কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।" তবে এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ছুটির কথা বলা নেই,...

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎপ্রার্থী চাকরিহারা শিক্ষিকারা

Image
গরমের ছুটি শেষে স্কুল খোলার অপেক্ষা। অথচ এখনো রাস্তায় বসে কয়েক হাজার চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা। অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের অযোগ্য বলে চিহ্নিত না করলেও, স্কুল সার্ভিস কমিশনের সদিচ্ছার অভাবে তাঁরা এখনো স্কুলে যোগ দিতে পারেননি। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সমস্ত চাকরিহারারা শিক্ষক-শিক্ষিকা (১৭২০৬ জন) স্কুলে ফিরেছেন। তাঁদের দাবি, এই তথ্য ভুল। এখনো স্কুলে যোগ দিতে পারেননি এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন প্রায় ১৮০০ জন। তাঁদের বেতনও বন্ধ রয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে‌ কর্তৃপক্ষের। তাই এবার তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন। শিক্ষিকা শতাব্দী সরকার বলেন, "সম্ভবত এই ১৮০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার খবর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নেই। আমরা চেয়ারম্যান, শিক্ষামন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। কিন্তু এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কানে আমরা আমাদের বক্তব্য পৌঁছে দিতে চাই। ২৫ শে মে এই শিক্ষিকাদের ৭০-৮০ জনের একটি দল গেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। কিন...