আমরণ অনশনে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা

 


বৃহস্পতিবার রাত একটা থেকে আমরণ অনশনে বসলেন ১০ জন চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক - শিক্ষিকা। বারবার এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পরেও কোন সমাধান সূত্র না মেলায় অবশেষে এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক দাবি ছিল রিভিউ এবং কিউরেটিভ পিটিশন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে না। এছাড়াও যোগ্য অযোগ্যের তালিকা, ওএমআর সিটের মিরর ইমেজ প্রকাশ এবং প্রকৃত যোগ্যদের চিহ্নিত করে রি-প্যানেল করারও দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু রাজ্য সরকার নির্ধারিত সময়েই নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে চায়। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাফ বক্তব্য, "পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়া হবে।"
 

আগামী ১৬ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি নতুন নিয়োগের অনলাইন ফর্ম ফিলাপ। মূলত এই তারিখটি পেছানোর দাবি নিয়েই তাঁদের এই আন্দোলন। আজ তাঁদের ১৩ জনের একটি প্রতিনিধি দল এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে চেয়ারম্যান স্পষ্ট করে জানান, এই পরীক্ষায় সকলে বসতে পারবেন। এবং পরীক্ষায় পাস না করতে পারলে, তিনি যোগ্য শিক্ষক হলেও তাঁর চাকরি থাকবে না।‌ 

চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের নেতা চিন্ময় মন্ডল বলেন, "আমরা দোষ না করেও শাস্তি পেলাম। অথচ যারা দোষ করল, যাদের দুর্নীতির কারণে আমরা রাস্তায় তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হল। যে অথরিটি এত বড় দুর্নীতি করলো তাদেরকেই আবার পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হল। যারা দুর্নীতি করলো তাদের কোন সাজা হলো না।" এই কারণেই তাঁদের আমরণ অনশন বলেও জানান তিনি।

পুনরায় চাকরির পরীক্ষায় বসতে তাঁরা রাজি নন বলে জানান অনশনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা। নতুন পরীক্ষার  ফর্ম ফিলাপ আপাতত পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে বিধানসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের কাছে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা। 

Comments

Popular posts from this blog

শিক্ষকরা কি আগামীকাল স্কুলে আসবেন? - কী বলছে হাইকোর্টের অর্ডার?

ফের গরমের ছুটি পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলিতে

অনশনের ৪৫ ঘন্টা পরেও হেলদোল নেই সরকারের